মো. দেলোয়ার হোসেন এর দুটি কবিতা
বৃক্ষের ছায়া
বৃক্ষ আমাকে থাকতে বলেছে, আমি থাকবো।
আমি অপেক্ষা করে জানবো, শিকড়ে জলের ঘ্রাণ কতো গভীর!
বাবাকে বহুদিন ডাকিনা, কিন্তু বাবা আজও বৃক্ষের ধৈর্য নিয়ে আমার পাশে আছেন
আমি শিকড়ে মাটি খুঁড়ে জলের ঘ্রাণ তুলে আনছি বুকের কাছে!
বৃক্ষ আমাকে আজও বাবার মতো অভয় দেয়!
তবু কেউ বাবা বলে ডাকলে বুক কেঁপে ওঠে
মাটির গভীরতর জলে পা ডুবিয়ে ভয়ে ভয়ে দেখতে পাই-
আমার সন্তান ঠিক ওর বাবার মতো বৃক্ষের ছায়া খুজঁছে!
গোরস্থানের খুব কাছে একা একটি শিমুল গাছ!
গোরস্থানের খুব কাছে একটি শিমুল গাছ।
মেয়েটি যেদিন মরে গেলো- সে রাতে কয়েকটি শিয়াল খুব ডেকেছিল
তারপরদিন মরে গেলো একটি বিড়াল
পরদিন বিড়ালটি নদীতে ভাসতে ভাসতে খোলাচোখে দেখছিলো সবকিছু
দেখেছিল- শিমুল গাছের কাছে একটি মেয়ে নারীস্বপ্ন নিয়ে গেঁথে আছে মাটির গভীরে!
খিদে আর সঙ্গম এক হয়ে গেছে আজ কতিপয় পুরুষের চোখে!
শিমুল গাছের কাছে মৃত বিড়ালটি জোয়ার-ভাটায় বার বার ফিরে আসে, অথবা শিমুলগাছটি
মৃত বিড়ালটির স্বপ্ন আর দুঃখ নিয়ে একাকী দাঁড়িয়ে থাকে গোরস্থানের খুব কাছে, সে যাই হোক
মেয়েটি যেদিন মরে গেলো, সে দিন কতিপয় কাপুরুষ নদীতে ঝাঁপদিয়ে নদীর জল দূষিত করেছিল!
গোরস্থানের খুব কাছে একা একটি শিমুল গাছ!
দুটো কবিতাই ভালো লাগলো
Thanks dear poet 💚💜❤💖
কবি মো. দেলোয়ার হোসেন কবিতার মাধ্যমে ইতোমধ্যে বাংলা সাহিত্যে শক্ত পোক্ত জায়গা করে নিয়েছেন। একটু ভিন্ন সুর ও মাটির গন্ধ মেলে তার লেখায়।
এবারো ভালো লাগলো।
Thanks dear 💚💜❤💖