একটি অলস কবিতার পরিকল্পনা
অমিত চক্রবর্তী
খোঁজে আছি একটি অলস কবিতার
গ্রীষ্মের বিকেলের মত নিস্পন্দ, কাজবিমুখ।
যে গাছটি সম্ভ্রান্ত হয়ে উঠল ফজলি আমের গয়নায়,
তাকে আমি দেখে নিই সন্তর্পনে।
কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই রমণীর, বিশ্বজগতে আমি যে অস্তিমান
মেনে নিতে রাজী নয় সে। খানিকটা তোমার মতই।
তুমি উন্মুখ হয়ে ভাবছ গা ধোয়ার কথা,
সচ্ছল গন্ধে ঢাকছ আর্দ্রতা, গরিবী ঘাম
চলকাচ্ছ সুখী শ্যাম্পেন চা –
মনের মানুষটা যে এসে পড়বে এক্ষুণি।
এইসব অলস ভাবনা ঘোরে চারপাশ
আর অলস কবিতার সারাংশে জমা হয়।
কিন্তু তা যদি না হয় আজ?
অলস কবিতার সৃষ্টি যদি না থাকে রাশিচক্রে?
যদি পুরোনো, একঘেয়ে তাল কেটে যায় বিবর্তে,
কালবৈশাখীর অভ্যুত্থানে?
তোমার গায়ে কি কাঁটা দেবে স্নানের ঘরে?
আমি হঠাৎ ভাবতে থাকি তাইরেসিয়াসের কথা।
মনে পড়ে ধুধু যন্ত্রণা সেই শরীরী দোলায়।
তার চেয়ে বরং প্রসন্ন হও দেবী, চল সুকুমারী ফ্রক পরা দিনে
চল আম কুড়োই লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে, পাল্লা দিয়ে দূরন্তপনায়;
ফেরার সময় কিছু বকুল ফুলও কুড়িয়ে নিও সাথে
স্মৃতিরা ইলোরা আঁকবে সেই অনস্তিত্বের মানুষটার জন্যে।


ভালো লাগলো।
A beautiful poem indeed!
দাদা, দারুন লিখেছেন ।