ক্লান্তির নদী
ড. ইন্দ্রজিৎ রায়
ধুলোয় ভেজা রাস্তা ধরে
ওরা হাঁটে
কাঁধে বোঝা, হাতে লোহার দাগ
দীর্ঘ লম্বা দিবস
কারখানার ভেতর শব্দ জমে থাকে
কানে,মাথায়,ঘুমের ভেতরেও
ধোঁয়ায় মুখ কালো হয়
আরশিতে দেখে না কেউ মুখ
সীমিত সময়
নদীর ধারে বসে
পা জলে নামায়
ঠান্ডা জল
তাতে ক্লান্তি নামে না তবু
নিস্তব্ধ সময়
দূরে আকাশে তারা থাকে চেয়ে
ওরা তাকায় না সেদিকে
তবু জানে
ওই আলোটা আছে সঙ্গে
হাতের তালুর ফাটা চামড়ায়
পুরোনো দাগ
নতুন দাগের পাশে শুকিয়ে থাকে
কেউ হিসেব রাখে না
রাতিযাপনে
শরীর নিজে নিজে কথা বলে
ব্যথা,আরো ব্যথা
তবু ভোর হলে
আবার উঠে পড়ে
চুল বাঁধে
কাপড় গোছায়
রাস্তায় নামে
এভাবেই,ধুলো জমে
পা চলে
নদী পাশ দিয়ে বয়ে যায়
সব দেখে সে,
বলে না কিছু
শুধু, চলতে থাকে, চলতে থাকে।

