পরাকাষ্ঠা
বিশ্বজিৎ বাউনা
অপসৃয়মান এ ছায়া, ছিটিয়ে পাখির সমাধি
শেষ মুহূর্তের পোহানো আগুনকে আঁধারে বাঁধি।
অক্ষর সংসারে ফোটে সরীসৃপ বীজ সাবধানী,
উপুড় আপেলের পোকা অন্ধ তবু অনুসন্ধানী
রক্তের ঠোঁটে জেগে যায় হবিষ্যি অগণন কাম।
মায়াবী তত্ত্বে ফসলে রাখি মৃৎ বহুভুজ প্রনাম।
সভ্য জল অকিঞ্চণ, দৈন্য পীড়িত একার আয়ু
আদ্যারূপে কামধেনু খুলে রাখে মহড়ার বায়ু
গ্রস্ত চিরকুটে তাই কাটাকুটি, প্রলম্বিত জরা–
শ্লেষ সামগ্রী ক্ষুরধার, তলানিতে রিক্ত প্রহরা
ভোগ্য মাটি খুবলে লুকোয় সেই ময়ূরের তেজ,
যেন কবিতার দোসর সাড়াশব্দহীন সতেজ।
ব্রহ্মের কস্তুরী দহন, পরম অনাবিল স্নেহে
নিপাতনে সিদ্ধি ছড়িয়ে আছে সব জীবের দেহে।
সমূহ দর্শনে, উড্ডীন মগ্নের নবজন্মে রতি
অযুত মোহ দেয়, খুলিতে রাখে দাসত্বের নতি
সহজাত ত্বরণে নিজেই নিবিড় আরাধ্য বুকে
প্রণম্য ভস্মে শ্বেত চোখ নিয়ে কবিতা থাকে ঝুঁকে।

