কৃত্তিকা
(কলকাতার স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। স্কুলেই সে আত্মহত্যা করে।)
কৃত্তিকা তুই আসিস আমার ঘরে,
পরের জন্মে ফিরে যদি আসি।
কৃত্তিকা তোকে দেখিনি কোনদিন,
তবু আমি তোকেই ভালোবাসি।
কৃত্তিকা তোকে যাবেনা আর ছোঁয়া
তুইতো এখন পুড়ে গিয়ে ছাই।
কোথায় গেল ভালোবাসা কমে,
অবিশ্বাসের মেঘ জমল তাই?
কৃত্তিকা আমি অসফল এক মানুষ,
তবুও বাঁচি উঁচু মাথা তুলে।
মেধাবি মেয়ে কৃত্তিকা তুই কেন
জীবনটাকে শেষ করলি ভুলে।
কৃত্তিকা তুই সেদিন বলেছিলি,
‘আসছি আমি একটু পরে ফিরে।’
ফিরল যে তোর নিথর দেহখানি,
বাঁচব শুধুই তোরই স্মৃতি ঘিরে।


ঘটনাটি সত্যিই মনকে বড্ড নাড়া দিয়েছিল।
ভালো লাগলো কবির কবিতায় তাকে আবার পেয়ে।
কৃত্তিকার অকালে ঝরে যাওয়া মর্মান্তিক।
খুব সুন্দর।
কবিতাটি সুলিখিত।বিষয়টা সত্যিই মনের গভীরে দাগ কেটেছে।
কৌস্তভ হৃদয়স্পর্শী লেখার জন্য ধন্যবাদ। ভালো থেকো।
আপনি আমার নমস্কার নেবেন। পূর্ণেন্দুবাবু ও অন্য গুরুজনদের আমার প্রণাম জানাবেন।
ভালোবাসা, আবেগের প্রকাশ অনবদ্য। মেয়েটির আত্মহত্যার কারণ না জানলেও কবিতার ভাষায় সে ব্যথা মূর্তমান।