কাদম্বরী
৪
অতীত জ্যোৎস্না কিছু সঙ্গোপনে রেখেছ দেরাজে। রোজ রাতে সেই আলো গায়ে মেখে
আকাশের দিকে চেয়ে থাকো। দক্ষিণের বারান্দায় রূপকথারা ঝ’রে ঝ’রে পড়ে। তোমার
অনন্ত তুমি নিজেই গড়েছ। প্লাবনের আগে আজও কেঁপে ওঠে ঠোঁট। শরীর নিংড়ে
যত্নে সোহাগের গর্ভটি সাজাও। আবছায়া ঘন হয়ে আসে। তোমাকেও ফুল হতে হবে।
প্রতিটি পাপড়ি মেলে গাইতে হবে ফাগুনের গান।
রিংটোনে বেজে উঠলে ভোরের ললিত, মরমে মরিবে শুধু আলুথালু কাদম্বরী…একা!
৫
তোমার জেগে ওঠার ভিতর কিছু কারুকার্য ছিল। গোধূলির ভেজা সংলাপে হারিয়ে
যাওয়ার চোরাস্রোত। নগ্ন পাথরের বুকে গীতিকবিতার দোলাচল…যেন কুণ্ঠিত
মুক্তধারা, যেন অনবদ্য মরণ এল তুমুল শ্রাবণে। বিগলিত ঝরণার কাছে উন্মুক্ত
কাঁচুলি। ঊরুদেশে, জমে-ওঠা-মেঘে সুদূর বিভাব..
বৃষ্টির বারান্দায় ভেসে আসছে দখিনা-বাতাস। এসো, কাদম্বরী!


খুব ভালো লাগলো।
খুব সুন্দর হয়েছে।
খুব ভালো। বলিষ্ঠ কলমে লেখা এমনই হয়। আরো পড়তে চাই।
বেশ পাকা হাতে লেখা। ভালো।